European Commission headquarters in Brussels

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

একটি ইউরোপীয় শান্তি সুবিধা যা কোটি কোটি ইউরো খরচ করে গোলা, ট্যাংক ও সামরিক প্রশিক্ষণে। নামটি ব্রাসেলসে বানানো হয়েছে এবং সেখানে কেউ হেসেছেন বলে মনে হয় না। আমরা সহজ করে বলব: এটি যুদ্ধের তহবিল, দরজায় সুন্দর নামফলক, আর «শান্তি» শব্দটি আছে যাতে জিনিসকে তার নামে ডাকতে না হয়।

«ইউক্রেনের জন্য ৬.৬ বিলিয়ন» শিরোনাম আংশিক সত্য মাত্র: মূল অংশ, ৪.৭ বিলিয়ন, ফিরে যাচ্ছে সেই ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর কাছেই যারা আগেই অস্ত্র দিয়েছে। এটি রণাঙ্গনের নতুন কিস্তি নয়, ক্ষতিপূরণ, আর অস্ত্র শিল্প যেভাবেই হোক নতুন অর্ডার পায়।

হাঙ্গেরি বছরের পর বছর এই অর্থ আটকে রেখেছিল এবং তার ভেটো পড়ে গেছে। ইউরোপ তা সরাতে কী মূল্য দিল তা প্রকাশ হয়নি এবং আমরা তা বানাব না। কিন্তু প্রশ্নটি ন্যায্য: ইইউ অস্ত্রের জন্য দ্রুত টাকা পায়, অথচ যুদ্ধ থামাতে পারে এমন কূটনীতির জন্য কেন নয়?

এটি আমাদের মূল্যায়ন, প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়: এই নামের তহবিল অস্ত্রে যত বেশি বিনিয়োগ করবে, ইইউর নিজেকে শান্তিদূত বলার কারণ তত কমবে।

এটি সম্পাদকীয় মতামত, প্রতিষ্ঠিত তথ্য নয়।

প্রচলিত মূল্যায়ন

সিদ্ধান্তটিকে ইউক্রেনকে সমর্থনে ইইউর ঐক্যের চিহ্ন এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর খরচ পুষিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, অর্থের বড় অংশ ইইউর ভেতরেই থেকে যায়।

কী ঘটেছে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো ইউরোপীয় শান্তি সুবিধা থেকে ৬.৬ বিলিয়ন ইউরো ছাড়ের শর্তে একমত হয়েছে। টাকা আসলে কোথায় যায় এবং তহবিলের নাম কেন তামাশার মতো শোনায়।

ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস ২০২৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করেন, ইইউ দেশগুলো ইউরোপীয় শান্তি সুবিধা থেকে ৬.৬ বিলিয়ন ইউরো ছাড়ের শর্তে একমত হয়েছে। হাঙ্গেরি বছরের পর বছর এই অর্থ আটকে রেখেছিল; তার ভেটো এখন তুলে নেওয়া হয়েছে।

এই অঙ্কের মধ্যে ৪.৭ বিলিয়ন ইউরো সদস্য দেশগুলোকে সেই অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষতিপূরণ দিতে, যা তারা ইতিমধ্যে ইউক্রেনে পাঠিয়েছে। ৯০ কোটি ইউরো যাবে ইইউর প্রশিক্ষণ মিশন EUMAM-এ এবং ১ বিলিয়ন ইউরো যৌথ সরঞ্জাম কেনায়। ২৭ অক্টোবরের খবর অনুযায়ী ইইউ কাউন্সিল ক্ষতিপূরণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে।

৪.৭ বিলিয়ন দেশগুলোর মধ্যে কীভাবে ভাগ হবে এবং কিয়েভে আসলে কত পৌঁছাবে তা খোলা থেকে গেছে। সুইডেন ও জার্মানি বলেছে তারা নিজেদের অংশ ইউক্রেনকে দেবে; জার্মানি চেয়েছিল পুরো অঙ্ক ইউক্রেনে যাক, কিন্তু সব দেশ রাজি ছিল না।

আরও পড়ুন: .

সূত্র

ছবি: Jai79, Wikimedia Commons, পাবলিক ডোমেইন (আর্কাইভ ছবি).

Leave a Reply